করিডোর ধু-ধু, কোলাহল নেই এইদিকে
মর্গের উঠানে কাঁদছে কি কেউ
হাসপাতালে কেউ কাঁদে না পড়ন্ত দুপুরে।
আমার গলায় কান্নাকান্না দলা।
কেবিনের দরজায় ছিন্ন গোলাপ পাপড়ি, যেন
আয়না-সাফ ফ্লোরে লাল ঠাট্টার ফালি
অমলেশ ফেলে গেছে জানি, ও পারে সবই
বাসী ফুলের তোড়া থেকে কুহেলী-হাতে ছিঁড়ে
নীচে ফেলে গেছে ফুলদল।
ও জানে আমি আসবো অশ্রুতে-কাজলে
মাখামাখি ক্রন্দসীদের কান্নার শেষে,
যখন কালো শার্ট-পাঞ্জাবিতে শোকাহতরা
যে-যার অফিসে ফিরে গেছে।
ও হে অমলেশ, কোন দূরে বসে দ্যাখো
শোকের প্রহরে এইসব নিষ্ঠুর তামাশা
শ্মশানে অমাবস্যা রাতে বসে থাকতে তুমি
এখন অশান্ত আত্মা তোমার ধূলিঝড়ে অন্ধ,
শ্মশানের হাওয়ায় এই গ্রীস্মের ভোরেও ওড়ে,
তেষ্টা পায় অশরীরীর, সামনে নদী
স্নানার্থিনীদের পিছু-পিছু যাও, জল মাগো
আত্মার তৃষ্ণা বোঝে ওরা, জীবনের না