যদি ফিরে আসো কলঙ্কীনি
বৃষ্টিকাদা চন্দনমাখা পায়ে
বলবো নাকো চরণ ধুয়ে এসো
গঙ্গাজলে এসো গো সাঁতরায়ে ।
আমার দুয়ার এমনি খোলা থাক
ঝড়ের আবেগ চুকুক মনের মতো
এই তো প্রথম অতীত এলো ফিরে
তর্কার্তকি থাক-না আজ বিরত ।
বনান্তরের ক্লান্ত প্রজাপতি
ডানার মতন ধুঁকছে কোমল বুক
দ্বিধার আঁচল সরিয়ে একটু দ্যাখো
পদাবলীর ছন্দেরা উৎসুক ।
নগ্ন পায়ে শুভ্র বিচানাতে
যেমন করে উঠতে বালকবেলায়
তেমনি করে স্তব্ধ বুকের কাছে
লতিয়ে ওঠো কপট অবহেলায় ।
ঘুমের মেঘে যে পাপ জমেছিল
যাক-না ধুয়ে শ্রাবণচোখের জলে
অঞ্জলিতে কয়েক ফোটা নেবো
ছিঁটাবো বিষবৃক্ষের বল্কলে ।
আজকে আবার হারিয়ে যাওয়া শ্রাবণ
ভাসিয়ে নিক দুধশাদা শয্যাকে
তোমার পায়ে প্রতিশ্রুতির মোহর
কথা-রাখার মোহন দুর্বিপাকে ।