সেই নিকষ কালো মানুষটি একদিন
তার স্বপ্নের বিছানায় রেখেছিল মেঘলাদিন
ঘনো ঝোপঝাড়ের ধার ঘেষে হেঁটে যেত রোজ
কি যেন খুঁজতে খুঁজতে একদিন মানুষটি
পাথরের বুকে এঁকে দিলো গভীর চুম্বন
সামনেই গড়াই নদীর ঢেউয়ের বুকে
জেগে উঠলো নতুন একটা দিন
পুকুর পাড়ে হিজল গাছের তলায় চড়ুইইভাতির
স্মৃতি অমলিন।
একটা শাদা কাগজের ওপর লোকটা লিখলো
শৈশব। শৈশব। যৌবন আর বার্ধক্য
তারপর টানটান লম্বা হাতে ছুঁয়েছিল
কদমগাছের পাতা-
তির তির করে বয়ে যাওয়া নদীর জলে
পা-ডুবিয়ে বসে থাকা লোকটিকে
সকালে আর কেউ দেখলো না
লোকটি কোন গন্ধরাজের জ্যামিতি ধরতে
চেয়েছিল কেউ জানলোনা কোনদিন
শুধু যক্ষ-প্রিয়ার বটপাতা জলে ভাসে।
পৃথিবী তার কোন দায় ভার নিল না
চোখের কোণে জমলো না কোন ঋণ।