ঘাসের ডগা থেকে টুপ করে ঝরে পড়া শিশিরের মতন
এক নিমিষেই ঝরে গেলো স্বস্তির কিঞ্চিত সময়।
কাটাছেঁড়া এই মধ্যবিত্ত হৃদয়ে কেবল জমতেছে নিকষ অন্ধকার! জমুক;
জমতে জমতে অঙ্গার এই হৃদয়টা হয়ে যাক
বুকের মাঝে লুকিয়ে রাখা গোপন হাজারে আসওয়াদ।
আমি না হয় একাই তওয়াফ করব সেখানে,
ঘুরে ফিরে এসে বারবার চুমু খাবো এই হাজারে আসওয়াদে।
তোমাকে কোন দিন শুনাইনি সেই মহাকাব্য- কি করে,
কত দীর্ঘশ্বাস জমতে জমতে এতটা কালো হয়েছে এই হৃদয়-পাথর;
সেই ইতিহাস শোনাবোও না কোনদিন।
তোমাকে আজ আর বিরক্তও করব না নন্দিনী।
আঁধার পৃথিবী থেকে মই লাগিয়ে বৃথাই খুঁজতে যাবো না
তোমার চাঁদনী রাতের জোছ্না;
তুমি আজ বাসর সাজাও, বাজনা-বাদ্য বাজাও,
বাজাও সানাইয়ের সুর,
আমি তো সেই সেখানেই রয়ে গেছি, আগেও ছিলাম যত দূর।
জানো তো নন্দিনী- বিশাল এক গভীর অশ্রু-সাগরের মাঝে
এই ছোট্ট শ্যাওলা হৃদয়ের বসবাস,
হাজার অশ্রুর বিষম ঢেউ আসলেও ভয়ে কাঁপে না একটুও;
তুমি ভেবো না নন্দিনী, চিন্তিত হয়ো না একটুও,
এই জলজ জীবন নীরবেই সয়ে যাবে সব সাইক্লোন, সব জলোচ্ছ্বাস।