মায়ের আঁচলে আর নিরাপদ নেই শিশু
অনিরাপদ স্কুল শিক্ষক কিম্বা মাদ্রাসার হুজুরের কাছেও!
মাসজিদের ইমাম, মন্দিরের ঠাকুর, গির্জার পুরোহিত
– কে নিরাপদ, যেন সর্বত্র হাতছানি দিয়ে ডাকছে আপদ!
আমি প্রিয়ার বুকে মাথা রেখে শান্তি খুঁজেছি; পাইনি
যে প্রিয়া বহুপুরুষের কামনার অনল জ্বলে, সে ডাইনি
তাই সাময়িক সুখের অতল সাগরে প্রাতঃস্নানে যাইনি!
হৃদয়ে বহ্নিশিখার দহন
ভালো নেই মানুষের দেহ মন;
হঠাৎ দেশ জুড়ে শুরু হলো হুতাশন!
সেই অনভিপ্রেত অগ্নি পুড়িয়ে ছাই করে দিলো-
আমাদের স্বপ্ন, সমৃদ্ধি এবং কী শেষ আশ্রয়স্থলটুকু!
দগ্ধ হয়ে মরলো-আমার মা, বাবা, ভাই, বন্ধুদের অনেকেই
এক সময় অঝোরে বৃষ্টি নামলে-
আনন্দে ভরে যেত বৃষ্টি বিলাসী মন;
এখন ইলশে গুঁড়ি বৃষ্টিতেও
নর্দমার জলস্নানের ভয়; সারাক্ষণ!
হে জগৎস্রষ্টা মহান প্রভু,
আমরা তো ইচ্ছে করে এই ভূখণ্ডে জন্মিনি!
সবুজ শ্যামল এই অপরূপ লীলাভূমি
আলমে আরওয়াহ’য় দান করেছ তুমি
তব সিজদায় তাই, রোজ এই মাটি চুমি!
হে আশ্রয়দাতা জগৎস্বামী,
তোমার সবুজ শ্যামল এই অপরূপ লীলাভূমি যে;
ইদানীং নরকপুরী হতে চলছে সে খবর নিশ্চয় রাখ?
এখানে-
পাইকারি ভাবে চলে খুন, গুম, অপহরণ
উচ্চবাচ্য করলেই করতে হয় কারাবরণ
হায়েনার লালসার ছোবলে নিশ্চিত মরণ!
সবুজ শ্যামল এই অপরূপ লীলাভূমি-
খুনি, ধর্ষক, জালেমদের ছেড়ে দিয়ে;
কোথায় পালাবে মানুষ?