বারুদে যেমন লুকোনো থাকে চক্ষুষ্মান আলো
তদরূপ পোশাক বদল করে সাবেক হয়ে যাব
ইহাদের গোধূলির মতো ঢুলে
ভাবছি কতটা ভগ্নাংশ চেয়েছিল? তোমাকে প্রশ্ন করো
তোমারও কি ভগ্নাংশ হয়? কিংবা হবে না?
রিফাতের চোখ দিয়ে তাকিয়ে দ্যাখো
বিশ্বজিতের, ফেলানীর চোখ দিয়ে দ্যাখো নিজেকে
মগজে কতটা গোবর ঠাসা হলে অনুরূপ হয়
মগজে নৃশংস আলোর স্ফুরণ ততটাই প্রতিফলনে
চতুর্দিক উত্তপ্ত করে হাঁটে, বাক্য-মিশ্রিত দুর্গন্ধে সওয়ার
তাহাদের পেখম শোভিত গড্ডালিকা প্রবাহের অবাধ চেতনায়
তাহাদের পেখমে রঙিলা কাক ডাকে
অবাধ ত্রাসস্তোত্রের উন্মোক্ত আঁধারে
দেখি চক্ষুষ্মান আলোয় অন্ধকার হাঁটে আলপথ
সেবেলায় কানে কানে জীবনানন্দ এসে বলে গেছে,-
‘চমৎকার! ধরা যাক দু-একটা ইঁদুর এবার!’