কক্ষচ্যুত এক তারার শরীর থেকে খসে পড়েছিল
আগুনের একটি পালক
আমার দু’পাশে শস্যবিহীন মাঠ অন্ধকার
ভূপৃষ্ঠ ছাড়িয়ে আরও
মিশে গেছে মহাকাশে
ওই আকস্মিক আলোর ঝলকে তারা দপ করে
জ্বলে উঠেছে যেমনি
দেখা গেল হাড়ের টিলার ওপর জেগে উঠছে
অপরূপ সৌধচূড়া
জেগে উঠছে সহস্র নীলাভ ফোয়ারা
উঠোনে কেকাধ্বনি শুনে হাততালি দিয়ে উঠছে
আমাদের বেদনার সন্তান…
কয়েক মুহূর্ত শুধু, তারপর পালকটি ঘুরে-ঘুরে সৌর অসীমে
মিলিয়ে যেতেই
ঠাণ্ডা এক আঁধার-ময়াল পাকে পাকে জড়িয়ে ধরল আমাকে
অনালোকে অন্ধ আমি শুনতে পাচ্ছি এখন
শস্যবিহীন মাঠে বেজে উঠছে রাশি-রাশি হাড় ও
করোটির খলখল হাসি