কত বড় একটা বিপ্লব ঘটে গেল দেশ জুড়ে
এর ধকল সামলাতেই বুঝি ঝিমুচ্ছে সবাই
আবার হাড়িয়া খেয়ে কুহুক বাড়ায় কেউ কেউ।
জনতা কথা বলে মেপে, কেউবা চেপে রাখে তা আইনের জগদ্দলে;
ফুটন্ত কড়াইয়ে পড়লে নির্ঘাত চিকেনফ্রাই হবে।
কেউ ভাঙছে দোকান, কেউ বা বাড়িতে দেয় আগুন
কেউ কাটে ডিশের লাইন কেউবা থামায় গাড়ি।
সকল অধিকার এখন তাদের। কারণ
তারা তো বাজপাখি হয়েই ছিনিয়ে এনেছে বিজয়ের বাক্শো।
টিভি, সেতো মিথ্যার বাক্শো
লেবেনচুষ পাগলে সয়লাব বিবেকের চোখ।
টিভিতে খবর বা টকশো শুনলে আমার বেবুঝ বাবা
ইদানিং আমাকে চোখ রাঙায় আর খেকিয়ে ওঠে। বলে-
মিথ্যা বলা আর শোনা সমান অপরাধ; ওতো মিথ্যার বাক্শো।
সারা দেশে চলছে খরদাহ
তারা বলে, বাহ্ কী বৃষ্টি। ঋতুমতী হয়ে ওঠে উন্নয়নের গাভী।
বাবা সবকিছু বাদ দিয়ে দেখতেন শুধু বিগফাইট
আমি হাসতাম বাবার ছেলেমি দেখে।
এখন আমারও দেখতে ইচ্ছা করে তা;
মেয়েদের ফাইট, সেতো আরও ভালো
তারা যা দেখায়, ঠিক তাই দেখায়
একটার বদলে অন্যটা নয়।
অন্তত তারা আমাদের লেবেনচুষ পাগল বুদ্ধিজীবীদের মত নয়।
হায়! এই অভিশপ্ত বিবেকের বোঝা বইবো কতদিন?
মূক আর কত থাকা? হায় খোদা উন্মাদ করে দাও।
যেন গলা ফাটিয়ে ট্রাফিক কন্ট্রোল করতে পারি।
অথবা বলতে পারি হককথা
যেটা বলতে পারে না টিভি, বুদ্ধিজীবী, পর্যবেক্ষক, বাঘা সম্পাদক।
তারা শুনে হাসুক বা তাদের হাসিয়া হয়ে উঠুক খাড়া।
লজ্জা পাব না আমি,
দিগম্বরের না আছে লজ্জা, না আছে ভয়।