নির্ভার ভেবে নেমে এসেছি পথে, ডিঙিয়ে চলেছি অরণ্য-নদী-প্রাচীর, বিপদসংকুল; সোৎসাহে খুঁজে নিতে চাইছি বিগ্রহের ধারণা; ভেবে রেখেছি যৌথচিন্তার এই ভ্রমণ সড়ক কখনো হারাবে না সুদূরে।
লক্ষ করেছি, প্রস্ফুটিত হওয়ার পর গন্ধ ও সৌন্দর্যের বিপরীতমুখী যে দ্যোতনা ধরে রাখে পৃথিবীর সমূদয় পুষ্প; তেমন সত্যেই যুগযন্ত্রণা কুড়িয়েছি- শৈশবের মাঠে; আর পানশালায় প্রাগযৌবনের যে নির্যাস ঝরে গেছে অকাতর, এখন বুঝতে পারি, তারচে বেশি বোধ বৃক্ষের কাছে সঞ্চিত; বুঝতে পারি, মানবজীবনে বৃক্ষই নির্ভার;
প্রকৃত প্রস্তাবে, উভয়মুখী ট্রেনের জানালা গলে দিগন্তে মিশে যাওয়া মনোহারী দৃশ্যগুলোই- যাপনের মতন ফেরার!