গোধূলিবাড়িটি ছেড়ে আম্মা যেদিন গেলেন চলে
তাঁর নাইয়রের দিকে, রূপসীর গমনাগমনে
বড়ো ভিড়নিদ্রা! আমি খুব ‘যাবেন না, যাবেন না’ বলে
শটক থামাতে চাহি মিনতির রাতুল চরণে;
কিন্তু, মাতা যে আমার শুভ্র হংসিনীর মতো জলে
ভেসে ভেসে দূরে… সন্তানসন্ততি যতো স্মৃতিবনে
ফেলে একদার সোহাগিনী নাইয়র-যাত্রার তলে
ঘোমটা লুকালেন, হায়, মানিনীর মুখের ধরনে।
কোন্ ঘরে পৌঁছালেন গো মা? কোন্ সেই মিয়াবাড়ি?
বেগমসাম্নির সেই ঘর চিনি না যে আমি? হায়,
এমনি আমার দিনরাত! নীল জীবনের আড়ি!
কীভাবে খুঁজবো আমি আপনাকে? যেহেতু সওয়ারি
হয়েছি গো বহু স্রোতের তুফানে; -মানবভাষায়
আমি কি কখনো আর অক্ষরকে ফিরে পেতে পারি?