কেউ জানে না- ঘুঘুর নিরলস ডাক,
ঘুঙুর পায়ে, ভাদ্রের দুপুরে, আছড়ে পড়ে,
আমার কবোষ্ণ বুকে;
মুহূর্তেই কেড়ে নিয়ে যায় অলস সময়,
প্রজাপতি হয়ে নৃত্য করে তন্দ্রাচ্ছন্ন চোখ;
কে যেন বলে- ‘ও মেয়ে, আর কত ঘুমোবে?
ঘর ছেঁড়ে বাইরে এসো- দেবদারুর ছায়ায়
তোমাকে সফল প্রণয়ের গল্প শোনাবো।’
সন্ধ্যা নেমে আসতে ঢের বাকি,
অথচ চারদিকে মৃত্যুর মতোন সুনসান।
ঝোপের আড়ালে নিথর বায়স্কোপ,
আবছায়া দৃশ্যপটে অসংখ্য অভিমানী
জোনাক, ক্রুশবিদ্ধ প্রহেলিকায় কাতরাচ্ছে;
কতোটা প্রেম লুকিয়ে রেখেছিল তারা,
দিশাহীন হৃদয়ের করিডোরে? যার সবটুকুই
স্বেচ্ছায় স্থির নৈঃশব্দ্যতায় হারিয়েছে।
ঠাণ্ডা বাতাসের স্রোতে সম্বিত ফিরে পাই,
ব্যর্থতার গান গেয়ে দূরে চলে যায়- নিঃসঙ্গ
গাঙচিল- রেখে যায় এক চিলতে দীর্ঘশ্বাস ॥