চিত্রটি বারবার নিলামে তুলেছিলো অতীত সময়!
ফিরে এসেছে। ফিরে আসে। ভয় হয় হয়তো সভ্য সমাজে যদি তার ফের জন্ম হয়!
জীন প্রযুক্তি মতে কথা হলো-
আমি নিশ্চিত, ওটা আমার পূর্ব পুরুষের মর্মান্তিক ছবি ছিলো।
চিত্রকর কিছু লিখে যান নি বর্ণনায়।
ইতিহাসবিদের বর্ণানামতে-
চারপাশে ছিলো শত্রুদল। তীর ধনুক হাতে। মুখোশ পরে। তবুও এই শত্রুদলকে সবই চিনতো!
হঠাৎ, একদিন গোত্রের সবাই বললো-
আর সইতে পারছি না! কিছু একটা করো! অগ্রগামী চিন্তারত থাকো তুমি- আমরা দেখেছি।
এসব করুণ মুহূর্তে না করার উপায় থাকে না! তারও ছিলো না!
নিচুকণ্ঠে সে সবাইকে বলেছিলো- সভ্যতা আধুনিক হবে।
এসব থাকবে না দেখো!
তবু, গোত্রের লোক ঘিরে রাখে! আমাদের সময় গড়ে দাও দাবি নিয়ে।
আমার পূর্বপুরুষ: যে ছিলো নিলামে তোলার ছবির রক্তাক্ত নায়ক-
হুঙ্কার দিয়েছিলো, ‘আমাদের বেঁচে থাকার অধিকার দাও।’
তখনই চারপাশ থেকে ছুটে আসে শোষক শত্রুদলের তীর-রক্তাক্ত চিত্র আঁকা হয় সময়ের ক্যানভাসে।
জীন তত্ত্ব মতে-
দুই দলেরই বংশগতি এখনও অব্যাহত পৃথিবীজুড়ে!