শঙ্খচিল ভেসে যাবে একটি দু’টি, ফেনাভ জলরাশির বুকে রোদের নাচন
দেখতে দেখতে গলে যাবে পাথর আত্মা, নুড়ি কুড়ানো বিকেলে
ছুঁড়ে দেবো একটি দু’টি নুড়ি জলের বুকে
জলের দাগে এঁকে দেবো হয়তো আমাদের উচ্ছ্বসিত হাসি
ক্লান্তি শেষে দাঁড়াবো, সমুদ্র তীর।
কণ্ঠস্বর থেকে উচ্চারিত হবে সরল স্বর, যে নামে ডেকে গেলে এই দমবন্ধ
গ্রীষ্মে আনন্দের মূর্ছনা তুলে চোখ-
রৌদ্রদীপ্ত সে সব শীত বনের নির্জনতা থেকে ইশারা হয়ে ফিরছে
কোলাহল মুছে যাবার হলদে বিকেল
যখন ত্রস্ত পায়ে ফিরবে আমাদের যুগল পা।
অসময় হয়ে উঠা সমস্ত ক্লান্ত দিনের মতোন, গোগ্রাসে গিলতে পারা সমস্ত বিরক্ত,
হাতের রেখা দেখে দেখে মধুরতা বুনে যাবে আমাদের সমুখ টেবিল,
এই যে কাছাকাছি চেয়ার।
বিষণ্ণ, শূন্য চোখে ছেয়ে গেলে অমানিশার মতোন
আমাদের কোনো কোনো রাত
জড়ানো হাতে হাত, যখনি পায়ে পা, গলে যায় উৎসমুখী প্রপাত,
যদি আসে সমস্ত উষ্ণতা, আমাদের এতোটুকু সান্নিধ্যে বেঁধে নিলে বুক।