পঞ্চব্যঞ্জনের হাজারও পাঁচালির আসরে
দশহাতি শাড়ির ভাঁজে আছড়ে পড়ে
নিভৃত পুষ্প ডালায়
অর্ঘ্য সমাপনী শেষে মেলায় দূরে
মুঠো খুলে দেখি আশারা উবে গেছে
নিজ নিজ আসনে সুখাসীন
থিতিয়ে যাওয়া অবস্থানটি আমার
মেলেনি নীলগিরি পথ
অথই খোলা আকাশ
উড়াল পাখির দেহে ভর করে
হয়নি দেখা নিকট কিংবা দূর
যদিও পঙ্কে জন্মেছিল দেহটি আমার
যতনে বিস্তৃত পাশে নিভৃতচারী
সেই পুরুষের পরম পরশে ফুটেছিল শতদল
প্রজন্মের কর্মই সাক্ষ্য দেবে তার
বৃথা যায়নি নৈবেদ্য ডালায়।
আজ তিল তিল করে সমুদ্র সিঞ্চনেও
মেটেনি জলের পিয়াসা
প্রান্তকালে নেই পাশে সেই কালপুরুষ
তারই বীজ চারাগাছ মহীরুহ আজ
নিজের পানসিতে পৌঁছে গেছে গন্তব্যে
সভ্যতার অট্টালিকায় যোজন যোজন দূরে
সুখৈশ্বর্য শব্দটি আমার পিঞ্জিরায় বন্দী
অচেনা সুরে ডুগডুগি বাজায়
জগদ্দল পাথর বুকে ভর করে…
ঐ জানালায় উঁকি দেয়
এক টুকরো আকাশ আমারই নিজের।