শাহ আব্দুল করিমের জন্ম সুনামগঞ্জ জেলার দিরাই উপজেলার তাড়ল ইউনিয়নের ধল গ্রামে ১৫ ফেব্রুয়ারি ১৯১৬ সালে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা ছিলেন ইব্রাহিম আলী ও মা নাইওরজান বিবি। বাবা ছিলেন গ্রামের দরিদ্র কৃষক এবং মা সামান্য গৃহিণী। দু’জনেই সংসারের কাজে ব্যস্ত থাকায় শাহ আব্দুল করিম তাঁর দাদা নাসিবউল্লাহর কাছে বড় হন। দাদাও গান করতেন। সে সুবাদে তাদের বাড়িতে আশপাশের ফকির-সাধুরা আসতেন। প্রায় দশ বছর বয়স পর্যন্ত তিনি দাদা নসিবউল্লাহর সান্নিধ্যে ছিলেন।
পরিবারের অভাব দূর করতে করিম মাত্র দুই টাকা বেতনে গ্রামের মোড়ল বাড়িতে রাখালের কাজ করতেন। তখন তাঁর বয়স এগারো। এরই মধ্যে ১৯৩০ সালের দিকে গ্রামে একটি নৈশবিদ্যালয় স্থাপিত হয়। সেখানে তিনি অক্ষরজ্ঞান শিক্ষা লাভ করেন। দাদার মৃত্যুর পর যাত্রাগান, পালাগান আর বাউলাগানের আসরে নিয়মিত যাতায়াত শুরু করেন তিনি। ততদিনে আব্দুল করিম শৈশবে পা রাখলেন। গ্রামের যাত্রাদলে গান গাইবারও ডাক পড়ে তাঁর। এ সময় গানের সঠিক তাল, লয় ও ছন্দ শেখার উদ্দেশ্যে নিজ গ্রামের করমউদ্দিনকে ওস্তাদ হিসেবে গ্রহণ করেন। করমউদ্দিন নিজে একজন সংগীতসাধক ছিলেন। তিনি দোতরা বাজিয়ে ভক্তিমূলক গান গাইতেন।
গায়ক হিসেবে ততদিনে তাঁর সুনাম ছড়িয়ে পড়ে বহুদূর। ১৯৪৪ সালে তাঁর বয়স তখন ২৮, ওই বছর তিনি ঈদের জামাতে নামাজ পড়তে গেলে কিছু ধর্মান্ধ লোক তাকে দেখে খেপে ওঠে। তখন ইমাম সাহেব জানান, গান বাজনা বেদাতি কাম। ওই সময় তাঁকে কিছু কিছু লোক কাফের বলেও আখ্যায়িত করলেন এবং বাড়ি ছাড়ার হুমকি দিয়ে যেতে থাকে অব্যাহতভাবে।
১৯৪৫ সালে শাহ আব্দুল করিম নিজ উপজেলার চন্ডীপুর গ্রামের দূর সম্পর্কের এক মামাতো বোনের সঙ্গে বিয়ে হয় তাঁর। স্ত্রীর নাম কাঁচামালা বিবি। বিয়ের পরও আব্দুল করিম গানের আসরে ছুটে বেড়াতেন। পরে শ্বশুরবাড়ির চাপে দেড় বছরের মাথায় স্ত্রীকে তালাক দেন তিনি। এ সময় করিম নিজ বাড়ি ছেড়ে নেত্রকোনার বাইশচাপড়া গ্রামের প্রখ্যাত বাউল সাধক রশিদ উদ্দিনের বাড়িতে ওঠেন এবং তিনি তাকে ওস্তাদ মেনে তাঁর কাছ থেকে দীক্ষা লাভ করেন।
১৯৪৮ সালের ঘটনা। আব্দুল করিম প্রতিবেশী আসামমুড়া গ্রামের আব্দুর রহমানের বাড়িতে দাওয়াতে যান। ঘটনাক্রমে এ সময় ওই বাড়ির এক মেয়ের দিকে তাঁর চোখ পড়ে। মেয়েটির নাম রমজান বিবি। ডাক নাম বৈশাখী। সে বছরই তার সঙ্গে আব্দুল করিমের বিয়ে হয়। বিয়ের পরপরই আব্দুল করিম তাঁর স্ত্রীর নাম পাল্টে রাখেন ‘সরলা খাতুন’।
১৯৫৫ সালে সিলেটের ঐতিহাসিক রেজিস্টারি মাঠে এক জনসভায় উপস্থিত হন হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী, সাথে ছিলেন শেখ মুজিবুর রহমান, জনসভায় বক্তৃতা শেষে আব্দুল করিমের গান শুনে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী তাঁর হাতে কিছু টাকা তুলে দেন। শেখ মুজিব করিমকে ধন্যবাদ জানিয়ে বললেন, ‘করিম ভাই’ নতুন করে আপনার গানের আর কি প্রশংসা করবো? সেই কবে থেকেই আমি আপনার গানের ভক্ত।
১৯৫৭ সালে টাঙ্গাইলের কাগমারি সম্মেলনে যোগদানের জন্য শাহ আব্দুল করিমকে আমন্ত্রণ জানিয়ে সরকারের পক্ষ থেকে চিঠি দেয়া হয়। সম্মেলনে যাওয়া-আসার জন্য জেলা প্রশাসক তার হাতে একশ টাকা ও একটি কম্বল তুলে দেন। পরে তিনি আরো কয়েকজনসহ কাগমারি সম্মেলনে যোগ দেন। সেখানে তাঁর সঙ্গে শেখ মুজিবুর রহমানের দেখা। সেখানে মুজিব তাঁকে জড়িয়ে ধরলেন এবং সবার সাথে পরিচয় করিয়ে দিলেন। সম্মেলনে মওলানা ভাসানীর সঙ্গেও তাঁর আলাপ হয়। মওলানা ভাসানী তাঁর গান শুনে বলেছিলেন, ‘সাধনায় একাগ্র থাকলে তুমি একদিন গণমানুষের শিল্পী হবে।’
বিয়ের ১৬ বছর পর ১৯৬৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে আব্দুল করিম পুত্রসন্তানের পিতা হলেন। স্ত্রী নাম রাখলেন নূরজালাল। তিনি আদর করে ডাকতেন বাবুল। তাঁর ভক্তকুল ও অনুরাগীরা তাঁর ছেলের নাম দেন কুটিশাহ। ১৯৬৮ সালে শাহ আব্দুল করিমের কাছে বিলেত সফরের আমন্ত্রণ আসে। তিনি তাঁর প্রখ্যাত বাউল সাধক দুর্বিন শাহকে নিয়ে বিলেতে যান। সেখানে টানা তিন মাস তিনি বিভিন্ন জায়গায় প্রবাসীদের বাউল গান শোনান।
১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় শাহ আব্দুল করিম স্থির করেন দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে গিয়ে গণসংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে সাধারণ জনগণকে মুক্তিযুদ্ধের ব্যাপারে উজ্জীবিত করবেন। যুদ্ধের পুরোটা সময় তিনি গান গেয়ে সাধারণ মানুষের চেতনাকে তিনি জাগ্রত করার চেষ্টা করেছেন। এসময় তিনি অসংখ্য দেশের গান রচনা করেন।
যুদ্ধ শেষে ১৯৭২ সালে করিম নিজ গ্রামে এসে গ্রামের মানুষদেরকে সাথে নিয়ে বিধ্বস্ত গ্রাম সংস্কারের কাজে লেগে পড়েন। এ সময়টাতে শাহ আব্দুল করিমসহ গ্রামের শিক্ষানুরাগী কয়েক ব্যক্তির উদ্যোগে উজানধল প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন। এ বছরের শেষের দিকে তিনি সিলেট বেতারের তালিকাভুক্ত শিল্পী হিসেবে গান গাওয়া শুরু করেন। যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশে ১৯৭৪ সালে দুর্ভিক্ষ দেখা দিলে শাহ আব্দুল করিম আর্তমানবতার সেবায় নামেন। এতদিনে তিনি মানুষের ভালোবাসায় বাউলসাধক আর গণগীতিকার- এই দুই পরিচয়ে দেশ-বিদেশে খ্যাতি অর্জন করেন।
১৯৮০ দশকের শুরুতে শাহ আব্দুল করিম বাংলাদেশ রেডিও এর অনুরোধে একজন পেশাদার স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে তিনি বেতারে অসংখ্য কেচ্ছা বা গল্প পরিবেশন করেন। প্রথমে তিনি তাঁর দলসহ ‘গাজী কালু ও চাম্পাবতীর পালা’ নামে একটি কেচ্ছা পরিবেশন করতেন।
১৯৮৪ সালে আব্দুল করিমের বাবা ইব্রাহীম আলী মারা যান। পরের বছর দ্বিতীয় বারের মতো আব্দুল করিম আটজন শিল্পীসহ প্রবাসীদের আমন্ত্রণে বিলেত সফরে যান। ১৯৮৬ সালে এরশাদ সরকারের স্বৈরাচারী শাসনের বিরুদ্ধে সোচ্চার হন। এ সময় তিনি বিভিন্ন জনসভাতে গণসংগীত পরিবেশন করে জনগণকে সচেতন করার চেষ্টা করেন।
১৯৮৮ সালে শাহ আব্দুল করিমের মা নাইওরজান বিবি মারা যান। একই বছরের ডিসেম্বরে তাঁর সহধর্মিণী সরলা বেশ অসুস্থ হয়ে পড়েন। টাকার অভাবে স্ত্রীর চিকিৎসা করাতে পারছিলেন না। তখন তিনি সিলেটে থাকতেন। তাঁর ছেলে নূরজালাল তখন মদনমোহন কলেজে স্নাতক শ্রেণীতে পড়েন। একই বছর তাঁর স্ত্রী মারা যান।
পরের বছর সুনামগঞ্জে হাসন রাজা লোকোৎসবে যোগদান করেন। সেখানে পরিচয় হয় কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমদের সাথে। হুমায়ূন আহমদ ঢাকায় ফিরে এসে আব্দুল করিমের গান নিয়ে কাজ শুরু করেন। তিনি আব্দুল করিমের জীবন ও গান নিয়ে নুহাশ চলচ্চিত্রের ব্যানারে বাংলাদেশ টেলিভিশনে ‘জলসাঘর’ নামে একটি প্যাকেজ অনুষ্ঠান নির্মাণ করেন এবং আরো কিছু গান হুমায়ূন আহমদ তাঁর আরো কিছু নাটকে ব্যবহার করেন।
২০০৭ সালে প্রবাসীদের আমন্ত্রণে তিনি তৃতীয় বারের মতো বিলেত সফরে যান। এসময় ছেলে নূরজালাল তাঁর সফরসঙ্গী ছিলেন। সেখানে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়লে প্রবাসীরা তাকে লন্ডনের রয়াল হসপিটালে ভর্তি করেন। কিছুটা সুস্থ হয়ে তিনি দেশে ফিরে আসেন। ২০০৯ সালের ৩ সেপ্টেম্বর শাহ আব্দুল করিমের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে দ্রুত সিলেটের নূরজাহান হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ১২ সেপ্টেম্বর সকালে অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে নেয়া হয়। অবশেষে, ১২ সেপ্টেম্বর সকাল আটটায় ৯৩ বছর বয়সে পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করে মহান প্রভুর ডাকে সাড়া দিয়ে চলে যান।
জীবদ্দশায় শাহ আব্দুল করিম অসংখ্য গান রচনা করেছেন। তাঁর গানগুলো নিয়ে ৭টি বই প্রকাশিত হয়েছে। ১৯৪৮ সালে প্রকাশিত প্রথম গানের সংকলন ‘আফতার সংগীত’ সুনামগঞ্জের রায় প্রেস থেকে প্রকাশিত এ গ্রন্থে ৪০টি গান সংকলিত ছিল। ১৯৫৭ সালে প্রকাশিত হয় আব্দুল করিমের দ্বিতীয় গ্রন্থ ‘গানসঙ্গীত’। ১৬ পৃষ্ঠার এ গ্রন্থে ১১টি গান সংকলিত হয়েছে। এ বইটিও প্রকাশ করেছে রায় প্রেস। ১৯৮১ সালের সেপ্টেম্বর মাসে প্রকাশিত হয় তৃতীয় গ্রন্থ ‘কালনীর ঢেউ’। তখন তাঁর ভিটেমাটি ছাড়া আরও প্রায় নয় বিঘা জমি ছিল। সেই জমি বিক্রির টাকায় তিনি বইটি বের করেন। পরবর্তীতে বইটির আরো পাঁচটি সংস্করণ বের হয়। সবশেষ সংস্করণে বইটিতে ১৬৭টি গান স্থান পেয়েছে। ১৯৯৮ সালর ২৪ এপ্রিল মাসে চতুর্থ গ্রন্থ ‘ভাটির চিঠি’ প্রকাশিত হয়। বইটি প্রকাশ করেছে সিলেট স্টেশন ক্লাব। ১০৪ পৃষ্ঠার এ গ্রন্থে ৮৫টি গান স্থান পায়। ১৯৯০ সালে প্রকাশিত হয় পঞ্চম গ্রন্থ ‘ধলমেলা’ এ গ্রন্থে তিনি হাওর অঞ্চলের মানুষের জীবনচিত্র তুলে ধরেছেন। ২০০১ সালে তাঁর ৬ষ্ঠ গ্রন্থ ‘কালনীর কূলে’ প্রকাশিত হয়। ১৩৬টি গান সংকলিত গ্রন্থটি প্রকাশ করে সিলেটের লোকচিহ্ন। শাহ আব্দুল করিমের মৃত্যুর চার মাস আগে তাঁর রচনাসমগ্র প্রকাশিত হয়। ২০০৯ সালের ২২ মে প্রকাশিত গ্রন্থটির সংকলন ও গ্রন্থনা করেছেন শুভেন্দু ইমাম। রচনাসমগ্রে অন্তর্ভুক্ত গানগুলো তাঁর পূর্ব প্রকাশিত গানের সংকলনগুলোতে রয়েছে। এর বাইরে অগ্রন্থিত ১৫টি গান এবং ‘আত্মস্মৃতি ’ নতুনভাবে সংযুক্ত হয়েছে।
এ ছাড়াও সুমনকুমার দাস সম্পাদিত ‘শাহ আব্দুল করিম স্মারকগ্রন্থ’ (অন্বেষা প্রকাশন) তাঁর মৃত্যুর পর প্রকাশিত হয়। এর আগে শাহ আব্দুল করিমকে নিয়ে সুমনকুমার দাসের ‘বাংলা মায়ের ছেলে : শাহ আব্দুল করিম জীবনী’ (অন্বেষা প্রকাশন), ‘সাক্ষাৎকথায় শাহ আব্দুল করিম’ (অন্বেষা প্রকাশন), ‘বউল সম্রাট শাহ আব্দুল করিম’ (উৎস প্রকাশন), ‘গণগীতিকার শাহ আব্দুল করিম’ (উৎস প্রকাশন) প্রকাশিত হয়। ২০১৬ সালে প্রথমা থেকে প্রকাশিত সুমন কুমার দাশের ‘শাহ আব্দুল করিম : জীবন ও গান’ বইটি। শাহ আব্দুল করিমের জীবনভিত্তিক প্রথম উপন্যাস সাইমন জাকারিয়া রচিত ‘কূলহারা কলঙ্কিনী’ ২০১৭ সালে প্রকাশিত হয়। শাকুর মজিদ তাকে নিয়ে নির্মাণ করেছেন ‘ভাটির পুরুষ’ নামে একটি প্রামাণ্য চিত্র। এ ছাড়াও শাকুর মাজিদের লেখা ‘মহাজনের নাও’ নাটকটি সুবচন নাট্য সংসদ ৯০টির মত প্রদর্শনী করেছে।
শাহ আব্দুল করিম তাঁর জীবনকালে প্রায় পাঁচ শতাধিক গান লিখেছেন এবং সুরারোপ করেছেন। বাংলা একাডেমির উদ্যোগে তাঁর ১০টি গান ইংরেজিতে অনূদিত হয়েছে। বর্তমানে তাঁর গান গেয়ে অনেক শিল্পী সুনামের সাথে খ্যাতি অর্জন করেছেন। বিভিন্ন রিয়্যালিটি শো’তেও তাঁর গানগুলো যথারীতি গাইতে দেখা যায়।
শাহ আব্দুল করিমের কিছু জনপ্রিয় গান তুলে ধরা হলো-
আগে কি সুন্দর দিন কাটাইতাম / আমি কূলহারা কলঙ্কিনী / বন্ধে মায়া লাগাইছে / আসি বলে গেল বন্ধু আইল না / গাড়ি চলে না, চলে না, চলে না রে / তুমি বিনে আকুল পরাণ থাকতে চায় না ঘরে রে / মাটির পিঞ্জিরায় সোনার ময়না রে / আমি ফুল, বন্ধু ফুলের ভ্রমরা / কেন পিরিতি বাড়াইলায় রে বন্ধু ছেড়ে যাইবায় যদি / বসন্ত বাতাসে ও সই গো বসন্ত বাতাসে / দমে দমে পড়ো যিকির লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ / তুমি মারো তুমি বাঁচাও যা-ই করি তুমি করাও / নূরে নূরনবী পয়দা / বন্ধু দরদিয়ারে আমি তোমায় চাইরে বন্ধু / মন মজালে ওরে বাউলা মন / রঙের দুনিয়া তোরে চাই না / রঙ এর দুনিয়া তরে চায় না / ঝিলঝিল ঝিলঝিল করেরে ময়ূরপংখী নাও / তোমার কি দয়া লাগেনা / আমি মিনতি করিরে / মানুষ হয়ে তালাশ করলে / আমি বাংলা মায়ের ছেলে / কেমনে ভুলিবো আমি বাঁচি না তারে ছাড়া / মন মিলে মানুষ মিলে, সময় মিলেনা / আইলায় না আইলায় নারে বন্ধু / মহাজনে বানাইয়াছে ময়ূরপঙ্খী নাও / সখী কুঞ্জ সাজাও গো / গান গাই আমার মনরে বুঝাই / আমি তরে চাইরে বন্ধু
শাহ আব্দুল করিম সংগীতে অবদানস্বরূপ বহু পুরস্কার ও সম্মাননা পেয়েছেন। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য- একুশে পদক (২০০১), লেবাক অ্যাওয়ার্ড (২০০৩), মেরিল প্রথম আলো আজীবন সম্মাননা (২০০৪), বাংলাদেশ জাতিসংঘ সমিতি সম্মাননা (২০০৬), খান বাহাদুর এহিয়া পদক (২০০৮), হাতিল অ্যাওয়ার্ড (২০০৯) এবং এনসিসি ব্যাংক এন এ সম্মাননা (২০০৯) লাভ করেছেন।