ও কুমার নদ; আমার বুবুর সোনালি চুলগুলো কত বার সাঁতার কেটেছে তোমার ঘোলা জলে, এই অবেলায় মনে কি পড়ে? সন্ধ্যার মাথা থেকে কত বার উড়ে গেছে চিল; দেখেছো কি তুমি? আমরা প্রায়শই ভুলে যাই স্রোতের চেহারা; ভুলে যাই বালুরেখা। একা হই, সীমানার পার্শ্ববর্তী আলপথে আমরা হাঁটি একাকি। আমাদের একাকিত্বের সাক্ষী থাকে সদ্য নির্মিত কাঁটাতার। আঁকে, কেউ কেউ আঁকে বুনোহাঁস। উড়ার শব্দ তুমিও ভুলে গেছো; ভুলে গেছো মাইক্রোফোনের রং, ভুলে গেছো চিৎ হয়ে শুয়ে থাকার স্মৃতি। সুতারও পাখা থাকে; নাটাই তাকে আটকে রাখে শক্ত গিটে, একটি নির্জন রাতে তাই সে কেঁদে ওঠে। ফড়িঙের পাখায় সোনালি রোদেরা খুনসুটি করে, করুক; আমরা কুমার পাড়ায় উড়াবো মাটির কলসী