বিস্তীর্ণ আকাশের বুকে ভেসে বেড়ানো
জলীয় বাষ্পের সঞ্চিত অবদান শুভ্র মেঘরাশি
আসমানের নীলাম্বরীতে বিলিয়ে দেয়া শুভ্রতায়
যদিও খুুঁজে পায় কোন নতুনাভা,
তবুও আকাশের করুণাই তার পাথেয়
আর সেই আকাশ-ই যদি জানতে চায় কেমন আছো
দেবে কি উত্তর মেঘ, নীরবতা ছাড়া!
নদীর বুুকের জলরাশির উন্মাদ হানা
বিসর্জিত পলিকণা যতই গড়ুক সবুুজ প্রান্তর,
নয়নাকাশে সবুজাভার সীমাহীন অসীমতা
ছড়াক দুই পাড়ের বিস্তীর্ণ মাঠ
সেই নদীই যদি জিজ্ঞাসার দ্বার খুলে বলে
তার করুণার ধারারা, শুষ্ক বালুচরের নিরবতায় ঘুর্ণিপাকে সে আর কি বলবে।
শ্রাবণের জলধারা বর্ষার বেদনার গানে
নয়ন জোড়া সবুজ প্রান্তর
ছড়ায় সীমাহীন মুুগ্ধতার পরশ
প্রশ্নের উত্তরের সীমান্ত সেই জলরাশির কাছেই
শ্রাবণের শেফালী ঝরা সকালে নীরব শুভ্রতা বিলায়
যতোই প্রশ্নের পাল উড়ায় দখিনা বায়ুরা।
যে ভালবাসার করুণায়
পুঞ্জিভূত কষ্টের বরফ গলে তার দায়বদ্ধতায়
যে ভালবাসার বিভোর স্বপ্নে
প্রত্যাশার পানকৌড়িরা সাঁতরায় বিরহী ঢেউ মাড়িয়ে
সেই ভালবাসাই যদি জানতে চায়
কেমন আছে করুণাশ্রিত ভাললাগারা!
তবে নিরুত্তর উত্তরে শুধু মেঘ ভারী হবে-
প্রশ্নের আকাশে কি মিলবে নীরবতা ছাড়া?