বাংলা কবিতা ও বর্ষার ঘনঘটা
আলম শামসআমাদের জীবনে ও প্রকৃতিতে যেসব ঋতুর প্রভাব বেশি তাদের মাঝে বর্ষা অন্যতম। গ্রীষ্মের বিপরীতে সজীবতার প্রতীক হিসেবে বর্ষাকে বিবেচনা করা হয়। গ্রামীণ প্রকৃতি ও নদী-জলাশয় প্রাণের প্রাচুর্যে পূর্ণ হয়ে ওঠে। চারদিকে সবুজময় দৃশ্য পরিবর্তনের বার্তা নিয়ে আসে। কৃষিতে নতুন প্রাণচাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। কখনো কখনো আবার অতি বন্যায় সর্বনাশ ঘটে যায়। অন্যদিকে নাগরিক জীবনেও বিড়ম্বনার সৃষ্টি হয়। সাহিত্যেও এর প্রভাব কম নয়। আলম শামস ‘বাংলা কবিতা ও বর্ষার ঘনঘটা’ নিয়ে লিখেছেন তথ্যবহুল একটি লেখা।
ফজলে রাব্বি ‘মুছে ফেলা দিনগুলি : তিরিশ থেকে পঞ্চাশ দশক’ ‘আত্মস্মৃতি’তে খুলনা অঞ্চলের সেই সময়ে জীবন ও সমাজ নিয়ে চমৎকার বর্ণনা দিয়েছেন। সৈয়দ মনজুরুল ইসলামের সাক্ষাৎকারের শেষ অংশ এ সংখ্যায় প্রকাশ হলো। ‘বাংলাদেশের আধুনিকতা আর পশ্চিমের আধুনিকতা আলাদা’ এই কথাটা তিনি জোর দিয়ে বলেছেন। আরো নতুন দৃষ্টিভঙ্গির সাথে পরিচয় হবে এই সাক্ষাৎকারের মাধ্যমে। প্রবন্ধ বিভাগে সাতজন লেখক প্রবন্ধ লিখেছেন সাতটি বিষয়ে। পাঠকের আশা করি এতে তৃপ্তি আসবে। গল্পের মাঝে আবু সাঈদ জুবেরীর ‘তুকাই বংশী’ বেশ ভালো একটি গল্প- পাঠককে মুগ্ধ করবে নিশ্চয়। চলতি সংখ্যায় অন্যতম সমৃদ্ধ সংযোজন হলো তরুণ ঔপন্যাসিক মোস্তফা মাহাথিরের উপন্যাস ‘রজনি ও রক্তজবা’র প্রকাশ। পাঠককে আশা করি নিরাশ করবে না।
অন্যান্য নিয়োমিত বিভাগগুলো যথারীতি থাকছে।
বর্ষা সংখ্যা হয়ে উঠুক জীবন ও সাহিত্যের সজীবতার প্রতীক।