মানুষের জীবনে বিশেষ সময় আসে কখনো কখনো যে সময়ে সে জীবনকে বদলে নিতে পারে। অপার সম্ভাবনা ও উৎকর্ষের সুযোগ সৃষ্টি হয়। এই সৃজনকালের সদ্ব্যবহারে একজন মানুষ পরিপূর্ণ মানুষ হয়ে উঠতে পারে। মুসলিম জীবনে সেই অনন্য ক্ষণের সম্ভাবনা নিয়ে আসে মাহে রমজান ও ঈদ।
একদিকে ব্যক্তির নৈতিক ও আধ্যাত্মিক অনুশীলন ও উৎকর্ষের চর্চা, অন্যদিকে বাঙালি মুসলমানের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের উজ্জীবন জাতীয় জীবনে বয়ে আনে গুণগত পরিবর্তন। বিশেষভাবে ঈদের উৎসব, আনন্দ ও খুশির আমেজ ধনী-গরিব, উচ্চবিত্ত-মধ্যবিত্ত-নিম্নবিত্ত সবার মাঝে ছড়িয়ে পড়ে। এই পবিত্র মাসে সম্পদশালী ও দরিদ্র জনগণের মধ্যে সম্পর্ক তৈরি হয় জাকাত প্রদানের মাধ্যমে। যদিও যাকাত যথার্থভাবে আদায় ও বন্টন করা হলে দারিদ্র্য বিমোচন সহজ হতো। নৈতিকতা ও সচ্ছলতাসম্পন্ন সমাজ বিনির্মাণে তাই মাহে রমজান ও ঈদের গুরুত্ব অপরিসীম।
ঈদোৎসব উপলক্ষে ঈদ সংখ্যার প্রকাশে বাংলা সাহিত্য সমৃদ্ধ হয়ে ওঠে। বাঙালির সাহিত্য ও সংস্কৃতি জগতে ঈদ সংখ্যার অবদান ও গুরুত্ব অপরিসীম। নবীন ও প্রবীণ লেখকদের নতুন সৃষ্টির দানে ঈদ সংখ্যা হয়ে ওঠে বিশেষত্বপূর্ণ। ‘নতুন এক মাত্রা’ সেই ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতায় একটি পূর্ণ সাহিত্যপত্র প্রকাশের সর্বাত্মক চেষ্টা করেছে। দেশের প্রতিশ্রুতিশীল লেখকদের সেরা সৃষ্টির সমন্বয়ে সাহিত্যের প্রধান বিষয়গুলোর প্রকাশ এতে রয়েছে। আশা করি পাঠক মহলের আগ্রহ ও মনোযোগ কাড়তে পারবে।
‘নতুন এক মাত্রা’র ঈদ সংখ্যা প্রকাশে লেখকবৃন্দকে কৃতজ্ঞতা জানাই, সেই সাথে ধন্যবাদ জানাই অঙ্কন শিল্পী, গ্রাফিক্স ডিজাইনার এবং সংশ্লিষ্ট সহযোগী ও বিজ্ঞাপন দাতাদের।
ঈদ সবার জীবনে বয়ে আনুক অপার সম্ভাবনা ও সমৃদ্ধি।
সবাইকে ঈদ মোবারক। হ